প্রথম অধ্যায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রথম অধ্যায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সাজেশন


জ্ঞানমূলক প্রশ্নঃ

১। Unicode কী?
উওরঃ Unicode হচ্ছে আলফানিউমেরিক কোড যার পূর্ণরূপ Universal Code। পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
২। ASCII কী?
উওরঃ ASCII আধুনিক কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত ৭/৮ বিটের আলফানিউমেরিক কোড যার পূর্ণরূপ American Standard Code for Information Interchange। কম্পিউটার এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে তথ্য স্থানান্তরের জন্য এই কোড ব্যবহৃত হয়।
৩। Universal Gate কী?
উওরঃ যেসকল গেইট মৌলিক গেইটসহ যেকোন গেইট এবং যেকোন সার্কিট বাস্তবায়ন করতে পারে, তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলে। NAND NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
৪। XOR Gate কী?
উওরঃ Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে XOR গেইট বলা হয়। এটি একটি যৌগিক গেইট যা AND, ORNOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি। এই গেইটের মাধ্যমে বিভিন্ন ইনপুট বিট তুলনা করে আউটপুট সংকেত পাওয়া যায়। ইনপুটে বিজোড় সংখ্যক ১ থাকলে আউটপুট ১ হয়, অন্যথায় ০ হয়। XOR অপারেশনকে চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
৫। Decoder কী?
উওরঃ ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডকে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাটে রূপান্তর করে।
৬। Counter কী?
উওরঃ কাউন্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট যা ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
৭। Register কী?
উওরঃ রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে। এর প্রত্যেকটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
৮। Bandwidth কী?
উওরঃ এক যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমান ডেটা ট্রান্সফার হয় তাকে ব্যান্ডউইথ বলে। অর্থাৎ ডেটা ট্রান্সফারের হারকে ব্যান্ডউইথ বলে।
৯। Modem কী?
উওরঃ মডেম হচ্ছে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা মডুলেশন ও ডিমডুলেশনের মাধ্যমে এক কম্পিউটারের তথ্যকে অন্য কম্পিউটারে টেলিফোন লাইনের সাহায্যে পৌঁছে দেয়।
১০। Wi-Fi কী?
উওরঃ Wi-Fi শব্দটি Wireless Fidelity শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। ওয়াই-ফাই একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) তৈরি করা যায়।
১১। Tag কী?
উওরঃ HTML এ কোডিং লেখার জন্য < > এবং </> দুইটা চিহ্ন এবং এর মধ্যে কিছু Word যেমন html, head, title, body ইত্যাদি Keyword ব্যবহার করা হয়। < > বা </> চিহ্ন এবং এর মাঝে লেখা একটি Keyword কে একত্রে ট্যাগ বলা হয়।
অথবা, HTML ট্যাগ হলো এক ধরণের লুকায়িত কীওয়ার্ড যা নির্ধারণ করে ব্রাউজার কীভাবে ওয়েবপেজের কনটেন্ট প্রদর্শন এবং ফরম্যাট করবে।
১২। URL কী?
উওরঃ প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি সুনির্দিষ্ট ও অদ্বিতীয় অ্যাড্রেস রয়েছে যার সাহায্যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো ব্রাউজ করা যায়; সেই ঠিকানাকে ওয়েব অ্যাড্রেস বলে। ওয়েব অ্যাড্রেস URL নামেও পরিচিত। URL অর্থ Uniform Resource Locator
১৩। IP Address কী?
উওরঃ IP Address এর পূর্নরুপ Internet Protocol Address। ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটার বা যন্ত্রের একটি অদ্বিতীয় অ্যাড্রেস বা ঠিকানা থাকে এই অদ্বিতীয় অ্যাড্রেসকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস।
১৪। Web Browsing কী?
উওরঃ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে বিভিন্ন ধরনের তথ্য রাখা আছে আর এসব সার্ভারের তথ্যকে ওয়েবপেজ হিসেবে পরিদর্শন করার পদ্ধতিকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজিং।
১৫। Data Transmission Mode কী?
উওরঃ ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বলা হয় ডেটা ট্রান্সমিশন মোড।
১৬। Data Communication কাকে বলে?
উওরঃ এক যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে নির্ভরযোগ্যভাবে তথ্যের আদান-প্রদান বা বিনিময়ই হচ্ছে ডেটা কমিউনিকেশন।
১৭। বুলিয়ান অ্যালজেবরা কাকে বলে?
উওরঃ ১৮৫৪ সালে জর্জ বুলি লজিকের সত্য ও মিথ্যার উপর ভিত্তি করে যে অ্যালজেবরা তৈরি করেন সেই অ্যালজেবরাকে তাঁর নামানুসারে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
১৮। সংখ্যা পদ্ধতির বেজ কী?
উওরঃ একটি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্নসমূহের মোট সংখ্যাকে ঐ সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি বলে। সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তিকে সাবস্ক্রিপ্ট (সংখ্যার ডানে একটু নিচে) হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
১৯। ওয়েবসাইট কাঠামো কাকে বলে?
উওরঃ ওয়েবসাইটের কাঠামো বলতে বুঝায় ওয়েবসাইটের পেইজগুলো কিভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকবে। যেমনঃ হোম পেইজের সাতে সাব-পেইজগুলো আবার সাব-পেইজগুলো নিজেদের মধ্যে কিভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকবে।
২০। আইওটি কী?
উওরঃ আইওটির সম্পূর্ণ রূপ হচ্ছে ইন্টারনেট অফ থিংস। ইন্টারনেট অফ থিংস মূলত একটি কম্পিউটার কন্সেপ্ট যেখানে প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত রাখার ব্যাপারে কাজ করে।
২১। অ্যাকচুয়েটর কি?
উওর: অ্যাকচুয়েটর হলো রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাড়াচাড়া করার জন্য কতকগুলো বৈদ্যুতিক মোটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা।
২২। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট কী?
উওর: যে সকল ওয়েবসাইটের তথ্য সাধারণত পরিবর্তন হয় না তাদেরকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলা হয়। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট শুধু HTML এবং CSS  দিয়েই তৈরি করা যায়।
২৩। ডায়নামিক ওয়েবসাইট কী?
উওর: যে সকল ওয়েবসাইটের তথ্য প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল তাদেরকে ডায়নামিক ওয়েবসাইট বলা হয়। ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য HTML,CSS এর পাশাপাশি PHP বা ASP .NET বা JSP এবং  ডেটাবেজ যেমন- MySQL বা SQL বা  Oracle ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
২৪। ওয়েব বা WWW কী?
উওর: ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ওয়েব। ওয়েব কে WWW (World Wide Web) ও বলা হয়। তিনটি  প্রযুক্তির সমন্বয়ে ওয়েব গড়ে উঠেছে। যথা-HTML, HTTP ও Web browser
২৫। ক্লাউড কম্পিউটিং কী?
উওর: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি বিশেষ পরিসেবা বা একটা ব্যবসায়িক মডেল, যেখানে বিভিন্ন ধরনের রিসোর্স শেয়ার, কম্পিউটিং সেবা, সার্ভার, স্টোরেজ, সফটওয়্যার প্রভৃতি সেবা সহজে ক্রেতার সুবিধা মতো, চাহিবামাত্র ও চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহার করার সুযোগ প্রদান করা বা ভাড়া দেওয়া হয়।

সীমান্ত স্যার (কম্পিউটার প্রকৌশলী)         ||         যোগাযোগঃ ০১৯৩৯ ১২৮৭০৮

অনুধাবনমূলক প্রশ্নঃ

১। "১+১+১+১ = ১" - ব্যাখ্যা করো।
উওরঃ ‘১+১+১+১ = ১’ এক্সপ্রেশনটি যৌক্তিক যোগ নির্দেশ করে যা OR গেট দ্বারা বাস্তবায়ন করা যায়। যৌক্তিক যোগের ক্ষেত্রে যেকোন একটি মান ১ হলেই যৌক্তিক যোগফল ১ হয়। এখানে, ‘১+১+১+১ = ১’ এক্সপ্রেশনটিতে কমপক্ষে একটি মান ১ থাকায় যৌক্তিক যোগফল ১ হয়েছে।
২। দুইটি চলকের জন্য ডি মরগ্যানের উপপাদ্য দুইটি প্রমাণ করো।
উওরঃ 
৩। "৩+৫ = ১০" - ব্যাখ্যা করো।
উওরঃ এটি একটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির যোগ। কারণ ৫ ও ৩ যোগ করলে ৮ হয়। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮ নেই তাই যোগফল ৮ থেকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮ বিয়োগ করলে পাওয়া যায় ০। যেহেতু একবার বিয়োগ করা হয়েছে তাই ক্যারি ১। অর্থাৎ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ৫ ও ৩ যোগ করলে ১০ হয়। অন্যভাবে বলা যায় অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ৭ এর পরবর্তী সংখ্যা ১০ বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির সমতুল্য মান ৮ ।
৪। চার বিট রেজিস্টারে চারটি ফ্লিপ–ফ্লপ থাকে– বুঝিয়ে লেখ।
উওরঃ মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ। একটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট ডেটা ধারণ করতে পারে। রেজিস্টার একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং গেইট এর সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট যেখানে প্রত্যেকটি ফ্লিপ ফ্লপ একটি করে বাইনারি বিট ধারণ করে থাকে। n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে এবং n-বিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এজন্য বলা যায়- চার-বিট রেজিস্টারে চারটি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে।
৫। হোস্টিং কেন প্রয়োজন হয় ব্যাখ্যা করো।
উওরঃ একটি ওয়েবসাইটকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ইন্টারনেটে প্রকাশের প্রক্রিয়াকেই ওয়েবসাইট পাবলিশিং বলা হয়ে থাকে। অপরদিকে, ওয়েবসাইটের জন্য তৈরিকৃত ওয়েবপেইজগুলোকে একটি রেজিস্ট্রেশনকৃত ডোমেইন এর আন্ডারে কোন ওয়েব সার্ভারে হোস্ট করাকে ওয়েবপেইজ হোস্টিং বলা হয়। যখন কোন লোকাল কম্পিউটারে ওয়েবপেইজ তৈরি করা হয়, সেই ওয়েবপেইজগুলো অন্য কোন ডিভাইস থেকে এক্সেস করা যায় না। পেইজগুলো অন্য ডিভাইস থেকে এক্সেস করার জন্য পেইজগুলোকে কোনো সার্ভারে রাখতে হয়। তাই বলা যায়- ওয়েব হোস্টিং ওয়েবসাইট পাবলিশিং এর একটি গুরুত্বপূর্ন ধাপ।
৬। ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন করতে হয় কেন?
উওরঃ প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম থাকতে হয়,যার সাহায্যে ওয়েবসাইটটি বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে খুঁজে পাওয়া যায়। এই স্বতন্ত্র নামকে ডোমেইন নেইম বলা হয়। যেহেতু প্রতিটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নেইম স্বতন্ত্র হতে হয়, তাই এটি একটি মাত্র সংস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রন করতে হয়। Internet Corporation for Assigned Names and Numbers নামক সংস্থাটি ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রন করে থাকে। এই সংস্থার অধীনে বিভিন্ন কোম্পানি নির্দিস্ট ফি এর বিনিময়ে ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের সুবিধা প্রদান করে থাকে। অর্থাৎ বিশ্বের প্রতিটি ওয়েবসাইটের স্বতন্ত্র নামের জন্যই ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন করতে হয়।
৭। অ্যাসিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যাখ্যা করো।
উওরঃ অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে ডেটা প্রেরক হতে প্রাপকে অসম সময়ের ব্যবধানে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার পাঠানো হয়। যখনই ডেটা প্রচার করা হয় তখন এটি একবারে পাঠানো হয়। সুতরাং ডেটা সংরক্ষণের জন্য প্রেরকের কোনও মেমোরির প্রয়োজন হয় না। সাধারণত ডেটা বাইট এর সাথে একটি স্টার্ট বিট এবং একটি স্টপ বিট যুক্ত করা হয় এবং মোট 10 বিট ডেটা প্রেরণ করা হয়। কখনও কখনও ত্রুটি পরীক্ষা করার জন্য স্টপ বিটের আগে একটি প্যারিটি বিট যুক্ত করা হয়। এ ধরনের ট্রান্সমিশনে প্রেরক যে কোনো সময় ডেটা প্রেরণ করতে পারে এবং প্রাপক তা গ্রহণ করতে পারে। প্রেরক এবং প্রাপককে সিনক্রোনাইজ করার জন্য এবং ডেটা সঠিকভাবে প্রাপক প্রান্তে পৌছেছে তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটা বাইটগুলোর মধ্যে স্টপ বিট এবং স্টার্ট বিট ব্যবহার করা হয়। ডেটা বিট প্রেরণ এবং গ্রহণের মধ্যবর্তী সময় সমান নয়, তাই ডেটা ট্রান্সমিশনে সময় দেওয়ার জন্য ফাঁকা (gaps) ব্যবহৃত হয়।
৮। কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের গঠন ব্যাখ্যা করো।
উওরঃ দুটি তড়িৎ পরিবাহী ও দুটি তড়িৎ অপরিবাহী স্তরের সাহায্যে কো-এক্সিয়াল ক্যাবল তৈরি করা হয়। এই ক্যাবলে দুটি তড়িৎ পরিবাহী স্তর একই অক্ষ বরাবর থাকে বলে একে কো-এক্সিয়াল ক্যাবল বলা হয়। ভেতরের তড়িৎ পরিবাহী তারটি কপার ওয়্যার যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ সিগন্যাল প্রবাহিত হয়। ভেতরের পরিবাহী ও বাইরের পরিবাহী তারকে পৃথক রাখার জন্য এদের মাঝখানে অন্তরক পদার্থ হিসেবে ফোমের ইন্সুলেশন ব্যবহার করা হয় এবং বাইরের পরিবাহী তারকে প্লাস্টিকের জ্যাকেট দ্বারা ডেকে রাখা হয়।
কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের বিভিন্ন অংশ-
👉 কপার ওয়্যার: এর মধ্য দিয়ে ডেটা প্রবাহিত হয়।
👉 ফোমের ইনসুলেশন: কপার ওয়্যার যাতে বেঁকে বা কুঁচকে না যায় সেজন্য ব্যবহৃত হয়।
👉 কপার মেস: বাইরের তাপ, চাপ ও EMI থেকে কপার ওয়্যারকে রক্ষা করে যাতে নির্বিঘ্নে ডেটা চলাচল করতে পারে অর্থাৎ ইহা ভিতরের তারে প্রেরিত উপাত্ত সিগনালের ব্যাতিচার রোধ করে।
👉 আউট সাইড ইনসুলেশন: তার যাতে বাহিরের আঘাতে নষ্ট না হয়ে যায় সেজন্য প্ল্যাস্টিকের জ্যাকেট ব্যবহৃত হয়।
৯। ডেটা ব্লক বা প্যাকেট আকারে ট্রান্সমিট হয় - ব্যাখ্যা করো।
উওরঃ সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে ডেটা ব্লক বা প্যাকেট আকারে ট্রান্সমিট হয়। এ পদ্ধতিতে প্রথমে প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টেরেজ ডিভাইসে ডেটাকে সংরক্ষন করা হয় এবং ডেটা সমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে সমান বিরতিতে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে। প্রতিটি ব্লকে কমপক্ষে ৮০ থেকে ১৩২ টি ক্যারেক্টার থাকে।  তবে ব্লকে ক্যারেক্টার  128, 256, 512, 1024 সংখ্যক হতে পারে। দুটি ব্লকের মাঝখানে সময় বিরতি সমান হয়ে থাকে।
১০। টপোলজি কী? প্রকারভেদ চিত্রসহ বর্ণনা করো।
উওরঃ একটি নেটওয়ার্কের ডিভাইসসমূহ একে অপরের সাথে কীভাবে সংযুক্ত, তার জ্যামিতিক উপস্থাপনা নেটওয়ার্ক টপোলজি হিসাবে পরিচিত
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে নিম্ন বর্ণিত ছয় ধরণের টপোলজি থাকে-

বাস টপোলজি: বাস টপোলজির ক্ষেত্রে, সকল ডিভাইসসমূহ একটি একক সংযোগ লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই সংযোগ লাইনকে বাস (Bus) বলা হয় যা ব্যাকবোন হিসাবেও পরিচিত। এই সংযোগ লাইনের দুপ্রান্তে দুটি টার্মিনেটর থাকে। প্রতিটি নোড (নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসকে নোড বলা হয়) ড্রপ ক্যাবল দ্বারা বা সরাসরি ব্যাকবোন তারের সাথে সংযুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহ দ্বিমুখী হয়ে থাকে। যখন একটি নোড অপর একটি নোডে বার্তা প্রেরণ করতে চায়, তখন ডেটা এবং প্রাপকের তথ্য কমন সংযোগ লাইনে প্রেরণ করে। কমন লাইনে সংযুক্ত সকল নোড বার্তাটি পায় অর্থাৎ ব্রডকাস্ট হয় এবং কেবলমাত্র প্রাপক তা গ্রহণ করে। একাধিক হোস্ট একই সাথে ডেটা প্রেরণ করার সময় বাস টপোলজির সমস্যা হতে পারে। সুতরাং, বাস টপোলজি হয় CSMA/CD প্রযুক্তি ব্যবহার করে বা কোনও হোস্টকে সমস্যা সমাধানের জন্য বাস মাস্টার হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।

রিং টপোলজি: রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড ক্যাবলের সাহায্যে তার পার্শ্ববর্তী দুটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংযুক্ত হয়ে একটি লুপ বা রিং গঠন করে। এভাবে রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটার প্রথমটির সাথে যুক্ত হয়। এই টপোলজিতে সংকেত একটি নির্দিষ্ট দিকে ট্রান্সমিশন হয়।  টপোলজির প্রতিটি ডিভিাইসে একটি রিসিভার এবং একটি ট্রান্সমিটার থাকে যা রিপিটারের কাজ করে। এক্ষেত্রে রিপিটারের দায়িত্ব হচ্ছে সংকেত একটি কম্পিউটার থেকে তার পরের কম্পিউটারে পৌছেঁ দেওয়া। একটি নোড সংকেত পাঠালে তা পরবর্তী নোডের কাছে যায়। সংকেতটি ঐ নোডের জন্য হলে সে নিজে গ্রহণ করে, অন্যথায় পরবর্তী নোডে প্রেরণ করে। সংকেত কাংখিত নোডে না পৌঁছা পর্যন্ত বৃত্তাকার পথে চলতে থাকে এবং এক পর্যায়ে কাংখিত নোডে পৌঁছে।

স্টার টপোলজি: স্টার টপোলজির সকল হোস্ট/নোড একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে, কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি হাব, সুইচ বা সার্ভার কম্পিউটারও হতে পারে। অর্থাৎ নোড এবং কেন্দ্রীয় ডিভাইসের মধ্যে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ থাকে। এই টপোলজিতে সংকেত প্রবাহ দ্বিমুখী হয়। কম্পিউটারগুলো সংযোগের জন্য কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ব্যবহৃত হয়। স্টার টপোলজিতে হাব বা সুইচগুলো মূলত ফিজিক্যাল সংযোগ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। স্টার টপোলজি নেটওয়ার্ক বাস্তবায়নে সর্বাধিক জনপ্রিয় টপোলজি। এই টপোলজিতে কোনো প্রেরক নোড সংকেত প্রেরণ করতে চাইলে তা প্রথমে হাব বা সুইচে পাঠিয়ে দেয়। এরপর হাব বা সুইচ সেই সংকেতকে প্রাপক নোডে পাঠিয়ে দেয়।

ট্রি টপোলজি: ট্রি টপোলজি হায়ারার্কিকাল টপোলজি নামেও পরিচিত, এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি। ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে। এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়। একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে। এক্ষেত্রে একাধিক হাব বা সুইচ ব্যবহার করে সকল কম্পিউটারগুলো একটি বিশেষ স্থানে সংযুক্ত করা হয় যাকে রুট নোড বলা হয়। রুট নোড হিসেবে অনেক সময় সার্ভারও থাকতে পারে। এই টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বা বিভিন্ন স্তরে বিন্যস্ত থাকে বলে ট্রি টপোলজি বলা হয়। সকল প্রতিবেশী হোস্টের মধ্যে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ রয়েছে।

মেশ  টপোলজি: মেশ টপোলজির প্রতিটি নোড নেটওয়ার্কের অধীনস্থ অন্যান্য সকল নোডের সাথে সরাসরি (পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট) সংযুক্ত থাকে অথবা কেবল কয়েকটি নোডের সাথে সরাসরি (পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট) সংযুক্ত থাকে। এতে কেন্দ্রীয় ডিভাইস বা সার্ভার এর প্রয়োজন হয় না।  এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1) টি সংযোগের প্রয়োজন হয় এবং নেটওয়ার্কের তারের সংখ্যা = (n * (n-1)) / 2 ।

হাইব্রিড টপোলজি: ভিন্ন ধরণের একাধিক টপোলজির সমন্বয়ে যদি নতুন এক ধরণের টপোলজি গঠিত হয় তখন নতুন টপোলজিটিকে হাইব্রিড টপোলজি বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, রুপালী ব্যাংকের একটি শাখায় যদি রিং টপোলজি এবং রুপালী ব্যাংকের অন্য শাখায় বাস টপোলজির উপস্থিতি থাকে তবে এই দুটি টপোলজিকে সংযুক্ত করার ফলে হাইব্রিড টপোলজি গঠিত হবে। ভিন্ন ধরণের একাধিক টপোলজির সমন্বয়ে যদি নতুন এক ধরণের টপোলজি গঠিত না হয় তখন নতুন টপোলজিটিকে হাইব্রিড টপোলজি বলা হয় না। উদাহরণস্বরূপ, রুপালী ব্যাংকের একটি শাখায় যদি স্টার টপোলজি এবং রুপালী ব্যাংকের অন্য শাখায় ট্রি টপোলজির উপস্থিতি থাকে তবে এই দুটি টপোলজিকে সংযুক্ত করার ফলে ট্রি টপোলজিই গঠিত হবে। ইন্টারনেটকে হাইব্রিড টপোলজি হিসেবে অভিহিত করা যায়। ইন্টারনেট একটি হাইব্রিড নেটওয়ার্ক, কেননা ইন্টারনেট হলো বৃহৎ পরিসরের একটি নেটওয়ার্ক যেখানে সব ধরনের টপোলজির মিশ্রণ দেখা যায়।

১১। আইপি অ্যাড্রেস এবং ডোমেইন নেইম এক নয়- ব্যাখ্যা করো।
উওরঃ ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটার বা যন্ত্রের এবং ওয়েবসাইটের একটি অদ্বিতীয় ঠিকানা থাকে এই ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস। অপরদিকে ডোমেইন নেইম হচ্ছে একটি স্বতন্ত্র টেক্সট অ্যাড্রেস যা আইপি অ্যাড্রেস কে প্রতিনিধিত্ব করে। যেমন www.facebook.com এর পরিবর্তে 31.13.78.35 এই আইপি অ্যাড্রেস এর মাধ্যমেও Facebook এর ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা যায়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেস 31.13.78.35 ডোমেইন নেইম Facebook কে প্রতিনিধিত্ব করছে। মানুষ আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার না করে ডোমেইন নেইম ব্যবহার করে। কারণ একসাথে অনেক গুলো আইপি অ্যাড্রেস মনে রাখা কষ্টকর কিন্তু ডোমেইন নেইম মনে রাখা সহজ। তাই বলা যায়, IP Address এর চেয়ে Domain Name ব্যবহার সুবিধাজনক।
১২। ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা গ্রহণ করা হয় কেন?
উওরঃ ক্লাউড কম্পিটিং হলো একগুচ্ছ রিমোট সার্ভারের কম্পিউটার রিসোর্স। নিম্নলিখিত সুবিধার কারণে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা গ্রহণ করা হয়-
👉 সার্বক্ষণিক ব্যবহারযোগ্য।
👉 যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে তথ্য আপলোড ও ডাউনলোড করা যায়।
👉 হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, লাইসেন্স ফি এর জন্য অধিক অর্থ ব্যয় করতে হয় না।
👉 কম সংখ্যক জনবল নিয়ে অধিক কাজ করার সুবিধা।
👉 পরিচালনা ব্যয় কম এবং কোনো প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
👉 স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট হয় এবং সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
১৩। NOR গেট XNOR গেট হিসেবে কাজ করে- ব্যাখ্যা করো।
উওরঃ 
১৪। "৯৬০০ bps" - ব্যাখ্যা করো।
উওরঃ ৯৬০০ bps বলতে বুঝায়, কোন কমিউনিকেশন সিস্টেমে প্রতি সেকেন্ডে ৯৬০০ বিট ডেটা ট্রান্সফার হয়। প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমান ডেটা ট্রান্সফার হয় তাকে ব্যান্ডউইথ বা ট্রান্সমিশন স্পিড বলে। ৯৬০০ bps ভয়েস ব্যান্ড নির্দেশ করে। কারণ, ভয়েস ব্যান্ডের ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড এর রেঞ্জ হলো ১২০০bps – ৯৬০০ bps। ভয়েস ব্যান্ড টেলিফোনে বেশি ব্যবহৃত হয়।
১৫। ফাইবার অপটিক্স ক্যাবল ই এম আই (EMI) মুক্ত কেন?
উওরঃ অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হল এক ধরনের আলো পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার সমন্বয়ে তৈরি। অপটিক্যাল ফাইবার কাঁচ অথবা প্লাস্টিকের তৈরি এক ধরনের ডাই-ইলেকট্রিক (অন্তরক) পদার্থ দ্বারা তৈরি,যা আলো পরিবহনে সক্ষম। এটি ইলেকট্রিক সিগনালের পরিবর্তে আলোক বা লাইট সিগন্যাল ট্রান্সমিট করার ফলে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলে কোনো তড়িৎ এর উপস্থিতি নেই। অর্থাৎ অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলে তড়িৎ এর উপস্থিতি না থাকার কারণে ক্যাবলটি ইএমআই (EMI) মুক্ত।

সীমান্ত স্যার (কম্পিউটার প্রকৌশলী)         ||         যোগাযোগঃ ০১৯৩৯ ১২৮৭০৮

রোবট কি? বিভিন্ন প্রকার রোবট সম্পর্কে আলোচনা করো

hscictbatch.blogspot.com
রোবট

রোবট:
রোবট হলো এক ধরনের ইলেকট্রোমেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ইলেকট্রনিক সার্কিট কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় বা আধা-স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র বা যন্ত্রমানব । রোবটে একবার কোনো প্রোগ্রাম করা হলে ঠিক সেই প্রোগ্রাম অনুসারে কাজ করে ।
রোবটের প্রকারভেদ:
রোবটকে দুই ভাগে ভাগ করা যায় । যথা:
  • অটোনোমাস রোবট: যে সমস্ত রোবটকে পরিচালনার জন্য মানুষের কিছু নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা প্রয়োজন হয় না স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রোগ্রাম অনুসারে সকল কাজ সম্পন্ন করে তাকে অটোনোমাস রোবট বলে ।
  • সেমি অটোনোমাস রোবট: যে সমস্ত রোবটকে পরিচালনার জন্য মানুষের কিছু নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা প্রয়োজন হয়, সেগুলোকে আধা-স্বয়ংক্রিয় বা সেমি অটোনোমাস রোবট বলে ।

প্রথম অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান ও অনুধাবন মূলক প্রশ্নসমূহ !

জ্ঞান ও অনুধাবন মূলক প্রশ্নসমূহঃ
প্রশ্ন -১: তথ্য প্রযুক্তি কী?
উত্তর : তথ্য ব্যবস্থা বা ইনফরমেশন সিস্টেমের সাথে সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার নির্ভর প্রযুক্তিই হলো তথ্য প্রযুক্তি।

প্রশ্ন-২ : বিশ্বগ্রাম কী?
উত্তর : বৈশ্বিক যোগাযোগের ব্যবস্থা সমৃদ্ধ স্থানকে বিশ্বগ্রাম বলে। বিশ্বগ্রাম শব্দটি দ্বারা বিশ্বব্যাপী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ইন্টারনেটকে বুঝানো হয়ে থাকে।

প্রশ্ন-৩ : রোবটিক্স কী?
উত্তর : কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ডিজাইন ও উৎপাদন সংক্রান্ত বিজ্ঞাইন হলো রোবটিক্স।

প্রশ্ন -৪: সাইবার ক্রাইম কী?
উত্তর : কম্পিউটারভিত্তিক কিংবা নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটভিত্তিক অপরাধ কর্মকান্ডকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলা হয়।

প্রশ্ন-৫: প্লেজিয়ারিজম কী?
উত্তর : অন্যের লেখা, গুবেষণালব্ধ তথ্য ইত্যাদি নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াকে প্লেজিয়ারিজম বলে।

প্রশ্ন-৬: আউটসোর্সিং কী?
উত্তর : কোনো নির্দিষ্ট কাজ নিজেরা না করে অর্থের বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেওয়াই হলো আউট সের্সিং।

প্রশ্ন-৭ : ই-কমার্স কী?
উত্তর : ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়। আধুনিক ডেটা প্রসেসিং এবং কম্পিউটার ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা বিশেষ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা মার্কেটিং, ক্রয়-বিক্রয়, গ্রহণ-বিলি করা, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি করাই হচ্ছে ই-কমার্স।

প্রশ্ন-৮ : হ্যাকিং কী?
উত্তর : সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা অথবা কোনো কম্পিউটাকে তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেওয়াই হ্যাকিং।

প্রশ্ন -৯.: ই- মেইল কী?
উত্তর : কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো তথ্য বা সংবাদ অন্য কোথাও পাঠানো বা গ্রহণ করার ব্যবস্থাই হলো ই- মেইল।

প্রশ্ন -১০: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কী?
উত্তর : কোনো জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী উঘঅ খন্ড পৃথক করে ভিন্ন একটিক জীবে স্থানান্তরের কৌশলই হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

প্রশ্ন-১১ : ক্রায়োসার্জারি কী?
উত্তর : ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা খুব নিন্ম তাপমাত্রায় বা শীতলীকরণের মাধ্যমে শরীরের অসুস্থ বা অস্বাভাবিক টিস্যুকে ধ্বংস করে।

প্রশ্ন-১২ : ন্যানো কাকে বলে?
উত্তর : কোনো কিছুর একশ কোটি ভাগের এ ভাগকে- ১ ন্যানো বলা হয়।

প্রশ্ন-১৩: ন্যানোটেকনোলজি কাকে বলে?
উত্তর : ন্যানো মিটার স্কেলে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, ধ্বংস বা সৃষ্টি সম্পর্কিত টেকনোলজিকেই ন্যানোটেকনোলজি বলে। অর্থাৎ ন্যানো মিটার স্কেলে পরিমিত যে কেনো বিষয়ের বহুমাত্রিক টেকনোলজিকে ন্যানোপ্রযুক্তি বা ন্যানোটেকনোলজি বলে।

প্রশ্ন -১৪: বায়োইনফরমেটিকস কাকে বলে?
উত্তর : জীব সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে কম্পিউটার প্রযুক্তির প্রয়োগই হলো বায়োইনফরমেটিকস।

প্রশ্ন -১৫: দূরশিক্ষণ বা ডিসটেন্স লার্নিং বা ই-লার্নিং কী?
উত্তর : শিক্ষা গ্রহনের জন্য কোন শিক্ষার্থীকে গ্রাম থেকে শহরে কিংবা একদেশ থেকে অন্য দেশে যেতে হয় না। অপরদিকে শিক্ষকও ঘরে বসেই শিক্ষা দান করতে পারে। এমনকি একজন শিক্ষার্থী অনলাইনেই পরীক্ষা দিয়ে নিজেকে যাচাই করতে পারে এবং ঘরে বসেই ফলাফল দেখতে পারে। এতে সময়, অর্থ, পরিশ্রম সাশ্রয় হয়। এই ধারণাকে বলা হয় দূরশিক্ষণ বা ডিসটেন্স লার্নিং বা ই-লার্নিং।

প্রশ্ন -১৬: টেলিমেডিসিন কী?
উত্তর : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন ভৌগলিক ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক , রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, বিশেষায়িত নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সমন্বয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।

প্রশ্ন -১৭: অফিস অটোমেশন কী?
উত্তর : তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অফিসের সার্বিক কার্যক্রমের (প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরি ও সংরক্ষন, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের মধ্যে অভ্যন্তরীন ও বহিঃযোগাযোগ ইত্যাদি) বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ তথা বাস্তবায়ন কার্যক্রম দক্ষতার সাথে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যায়। এই ধরণের প্রযুক্তি নির্ভর কার্যক্রমকে বলা হয় অফিস অটোমেশন।

প্রশ্ন -১৮: স্মার্ট হোম বা হোম অটোমেশন কী?
উত্তর : স্মার্ট হোম এমন একটি বাসস্থান যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং এর সাহায্যে যেকোনো স্থান থেকে কোন বাড়ির সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম, হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, বিনোদন সিস্টেমসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। স্মার্ট হোমকে হোম অটোমেশন সিস্টেমও বলা হয়।

প্রশ্ন -১৯: ফিশিং(Phishing) কী?
উত্তর : ইন্টারনেট ব্যবস্থায় কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট সেজে প্রতারণার মাধ্যমে কারো কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন ব্যবহারকারী নাম ও পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে ফিশিং বলে। প্রতারক তাদের শিকারকে কোনোভাবে ধোঁকা দিয়ে তাদের ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। ঐ ওয়েবসাইটটি সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীর ইমেইল, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডের আসল ওয়েবসাইটের চেহারা নকল করে থাকে। ব্যবহারকারীরা সেটাকে আসল ওয়েবসাইট ভেবে নিজের তথ্য প্রদান করলে সেই তথ্য প্রতারকদের হাতে চলে যায়।

প্রশ্ন -২০: ভিশিং(Vishing) কী?
উত্তর : মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং বলা হয়। যেমনঃ ফোনে লটারী বিজয়ের কথা বলে এবং টাকা পাঠানোর কথা বলে ব্যক্তিগত তথ্য নেওয়া।

প্রশ্ন -২১: স্পুফিং কী?
উত্তর : স্পুফিং শব্দের অর্থ হলো প্রতারনা করা, ধোঁকা দেওয়া। নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়াকর্কে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

প্রশ্ন -২২: স্প্যামিং কী?
উত্তর : ই-মেইল একাউন্টে প্রায়ই কিছু কিছু অচেনা ও অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল পাওয়া যায় যা আমাদের বিরক্তি ঘটায়। এই ধরণের ই-মেইলকে সাধারণত স্প্যাম মেইল বলে। যখন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট কোন একটি ইমেইল অ্যাড্রেসে শতশত এমনকি লক্ষ লক্ষ মেইল প্রেরণের মাধ্যমে সার্ভারকে ব্যস্ত বা সার্ভারের পারফর্মেন্সের ক্ষতি করে বা মেমোরি দখল করে, তখন এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

প্রশ্ন -২৩: ই-কমার্স কী?
উত্তর : ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় বা লেনদেন হয়ে থাকে। কিছু ই-কমার্স প্লাটফর্ম এর উদাহরন alibaba.com, amazon.com, daraz.com.bd, rokomari.com ইত্যাদি। আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।

প্রশ্ন -২৪: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কী?
উত্তর : হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোন একটি পরিবেশ বা ঘটনার বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রুপায়ন হল ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয়,যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয়।

প্রশ্ন -২৫:কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী?
উত্তর : মানুষ যেভাবে চিন্তা ভাবনা করে, কৃত্তিম উপায়ে যদি কোন যন্ত্রকে সেভাবে চিন্তা ভাবনা করানো যায়, তখন সেই যন্ত্রের বুদ্ধিমত্তাকে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বলে।

প্রশ্ন -২৬: রোবট কী?
উত্তর : রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরণের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা কোন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করতে পারে। এটি তৈরী হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নীতিতে।

প্রশ্ন -২৭: এক্সপার্ট সিস্টেম কী?
উত্তর : এক্সপার্ট সিস্টেম হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এমন একটি সিস্টেম যা মানুষের চিন্তা ভাবনা করার দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতাকে একত্রে ধারণ করে। যা মানব মস্তিস্কের মত পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ সাফল্য লাভের উদ্দেশ্যে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

প্রশ্ন-২৯: ফাইবার অপটিক্স ক্যাবল ইএমআই মুক্ত কেন? (অনুধাবন)
উত্তর: ফাইবার অপটিক্স অন্তরক পদার্থ দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় প্রভাব বা ইএমআই মুক্ত। ফাইবার অপটিক্স এর উপাদানগুলো হলো- সোডা, বোরো সিলিকেট, সোডা লাইম সিলিকেট এবং সোডা অ্যালুমিনা সিলিকেট যা অন্তরক পদার্থ। এছাড়াও ফাইবার অপটিক্স এর বহিরাবরণ হিসেবে যে জ্যাকেট ব্যবহার করা হয় তা হলো প্লাস্টিক এবং প্লাস্টিকও অন্তরক পদার্থ। ফলে ফাইবার অপটিক্স সর্বদাই ইএমআই মুক্ত থাকে।

প্রশ্ন-৩০: আণবিক পর্যায়ের গবেষণার প্রযুক্তিটি ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)
উত্তর : আণবিক পর্যায়ের গবেষণার প্রযুক্তিটি হলো ন্যানোটেকনোলজি। যখন কোনো একটা বস্তুর কর্মদক্ষতা বাড়ানোর জন্য কোনো বিশেষ প্রযুক্তি বা যন্ত্র ব্যবহর করে অণু বা পরমাণুগুলোকে ন্যানোমিটার স্কেলে বা ন্যানো পার্টিকেল রূপে পরিবর্তন করা হয় তখন সেই প্রযুক্তিকে ন্যানো টেকনোলীজ বলে। এ প্রযুক্তির প্রধান সুবিধা হচ্ছে এর মাধ্যমে কোনো পদার্থের অণু-পরমাণুকে ইচ্ছামতো সাজিয়ে কাক্সিক্ষত রূপ দেওয়া যায়। বর্তমানে জিন প্রকৌশল, তড়িৎ প্রকৌশল, যন্ত্র প্রকৌশল ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন-৩১: পৃথিবী একটি একক পরিবার -ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)
উত্তর : বর্তমানে বিশ্বগ্রামের কল্যাণে পৃথিবী একটি একক পরিবারে পরিনত হয়েছে। বিশ্বগ্রাম এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজের ন্যায় বসবাস করে এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে একে অপরকে সেবা প্রদান করে। ফলে ব্যাপক ভৌগোলিক দূরুত্বে বসবাস করেও সমস্ত মানবজাতি আজকে ইলেক্ট্রনিক ও টেলিযোগাযোগ মিডিয়ার ব্যাপক ঊৎকর্ষতায় পরস্পরের সাথে প্রায় পারিবারিক সম্পর্কের ন্যায় একটি গভীর আন্তঃসম্পর্ল্ক গরে ঊঠেছে। এজন্য পৃথিবীকে এখন প্রায় একটি একক পরিবার হিসেবে গণ্য করা হয়।

প্রশ্ন-৩২ : তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বই বিশ্বগ্রাম -ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)
উত্তর : তথ্য প্রযুক্তই প্রকৃতপক্ষে বিশ্বগ্রামের ধারনার মূল ভিত্তি। বর্তমানে বিশ্বগ্রামের কল্যাণে পৃথিবী একটি একক পরিবারে পরিনত হয়েছে। বিশ্বগ্রাম এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজের ন্যায় বসবাস করে এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে একে অপরকে সেবা প্রদান করে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিস্তৃত ব্যবহার তথা তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ের সাথে সংযোগ ছাড়া বিশ্বগ্রামের ধারনা অসম্ভব। তথ্য প্রযুক্তির বিস্ময়কর উৎকর্ষের কারনে সমগ্র বিশ্ব এক বিনিশুতার বাঁধনে পরশপরের থেকে ভৌগোলিকভাবে দূরে থেকেও একটি একক সমজের বাসিন্দা হয়ে ঊঠাই প্রমান করে তথ্য প্রযুক্তিই মূলত বিশ্বগ্রাম ধারনার মূল ভিত্তি।

প্রশ্ন-৩৩ : টেলিমেডিসিন একধরনের সেবা- বুঝিয়ে বল। (অনুধাবন)
উত্তর : টেলিমেডিসিন বাস্তবিকই একধরনের সেবা। তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে রোগীকে চাক্ষুষ না দেখেও চিকিৎসা সেবা দেবার ব্যবস্থাই হল টেলিমেডিসিন। এক্ষেত্রে দূরবর্তী স্থানে অবস্থান করেও মোবাইল টেলিফোন ও ভিডিও কনফারান্সিং এর মাধ্যামে চিকিৎসা গ্রহন ও প্রদান ঊভইয়ে সম্বব হয়। যেহেতু চিকিৎসা একটি সেবা এবং এই সেবাটিই টেলিমেডিসিনে টেলিকমিশন্সের মাধ্যামে দেওয়া হচ্ছে, সুতরাং টেলিমেডিসিনকেও সেবা হিসেবে অভিহিত করা হয়।

প্রশ্ন-৩৪ : তথ্য প্রযুক্তির সাম্প্রতিক প্রবনতায় ডায়াবেটিকস রোগীরা কিভাবে ঊপকৃত হতে পারে? (অনুধাবন)
উত্তর : তথ্য প্রযুক্তির সাম্প্রতিক প্রবনতায় অন্যতম হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে রোগীকে চাক্ষুষ না দেখেও চিকিৎসা সেবা দেবার ব্যবস্থাই হল টেলিমেডিসিন। এক্ষেত্রে দূরবর্তী স্থানে অবস্থান করেও মোবাইল টেলিফোন ও ভিডিও কনফারান্সিং এর মাধ্যামে চিকিৎসা গ্রহন ও প্রদান ঊভইয়ে সম্বব হয়। যেহেতু চিকিৎসা একটি সেবা এবং এই সেবাটিই টেলিমেডিসিনে টেলিকমিশন্সের মাধ্যামে দেওয়া হচ্ছে, সুতরাং টেলিমেডিসিনকেও সেবা হিসেবে অভিহিত করা হয়।

প্রশ্ন-৩৫ : নিয়াপত্তা ব্যবস্থার সাথে ICT এর সাম্প্রতিক প্রবণতার কোন উপাদানটি সম্পর্কেযুক্ত? ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)

উত্তর : নিয়াপত্তা ব্যবস্থার সাথে ICT এর সাম্প্রতিক প্রবণতার বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিটি সম্পর্কেযুক্ত। বায়োমেট্রিক্স সেই প্রযুক্তি, যা মানুষের দেহের বৈশিষ্ট( যেমনঃ ডিএনএ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের রেটিনা এবং আইরিস, কন্ঠস্বর, চেহারা এবং হাতের মাপ ইত্যাদি ) মেপে এবং বিশ্লেষন করে বৈধতা নির্ণয় বা ব্যাক্তিকে সনাক্ত করে । বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্টানে প্রবেশের জন্য প্রতিষ্টানের কর্মচারিদের আঙ্গুলের ছাপ ব্যাবহার করা হয় যা হল বায়োমেট্রিক উপাদান, যা দ্বারা ব্যাক্তিকে সনাক্ত করা হয়।

তথ্য ও উপাত্তের মধ্যে পার্থক্য লেখ!

তথ্য ও উপাত্তের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরা হলোঃ

তথ্য 
★এক বা একাধিক ডেটা প্রক্রিয়াকরণের পর যে অর্থপূর্ণ ফলাফল পাওয়া যায় তাকে তথ্য বলে। অর্থাৎ তথ্য একটি সমন্বিত ধারণা। 
★সব তথ্য উপাত্ত হতে পারে। এটি সব সময় অর্থপূর্ণ। 
★সরাসরি ব্যবহার করা যায় । 
★সাধারনত প্রক্রিয়াকরণ করতে হয় না। 
★কাঁচামাল (ডেটা) প্রক্রিয়াকরণের পর তথ্যে রূপান্তরিত হয়। 
★তথ্য সজ্জিত অবস্থায় থাকে। 
★তথ্য থেকে কোন বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা লাভ করা যায়। 
★তথ্য আউটপুট স্বরূপ। 

উপাত্ত 
★উপাত্ত হলাে তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক। অর্থাৎ উপাত্ত একটি একক ধারণা। 
★সব উপাত্ত তথ্য নয়। 
★এটি সব সময় অর্থপূর্ণ নয়। 
★সরাসরি ব্যবহার করা যায় না। 
উপাত্তকে প্রক্রিয়াকরণ করতে হয়। 
★উপাত্ত তথ্যের কাচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 
★উপাত্ত সজ্জিত অবস্থায় থাকে না। 
★উপাত্ত থেকে কোনাে বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা লাভ করা যায় না। 
★উপাত্ত ইনপুট স্বরূপ। 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কাকে বলে?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি :

প্রকৃতপক্ষে প্রযুক্তি হচ্ছে বিজ্ঞানের আবিষ্কারগুলোর ব্যাবহারিক প্রয়োগ। জ্ঞান-বিজ্ঞানের এই যুগে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য, অথবা দক্ষ ব্যাবস্থাপনার জন্য তথ্য আহরন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরন ও তথ্য বিতরনের গুরুত্ব অনেক। আর এই তথ্য আহরন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরন, তথ্য বিতরনের ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামগ্রিক কার্যাবলী পরিচালনার বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়াকেই এক কথায় "তথ্য প্রযুক্তি" বলা হয়। তথ্য প্রযুক্তির সাথে বর্তমানে যোগাযোগ ব্যাবস্থার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে- বলা যায়, এরা একে অন্যের পরিপূরক। তথ্য ও যোগাযোগ -এই দুটি ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির ব্যাবহারের ফলে খুব দ্রুত ও সহজে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব। তাই এখন তথ্য প্রযুক্তিকেই "তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি" বলে।

যোগাযোগ প্রযুক্তি কাকে বলে?

যোগাযোগ প্রযুক্তি :

যে প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো তথ্য এক স্হান হতে অন্য স্হানে কিংবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্হানান্তর কিংবা একজনের ডেটা অন্যের নিকট স্হানান্তরের প্রক্রিয়াকে যোগাযোগ প্রযুক্তি বলে ।

তথ্য প্রযুক্তি কাকে বলে?

তথ্য প্রযুক্তি :

বর্তমান জ্ঞান-বিজ্ঞানের যুগে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য, অথবা দক্ষ ব্যাবস্থাপনার জন্য তথ্য আহরন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরন ও তথ্য বিতরনের গুরুত্ব অনেক। আর এই তথ্য আহরন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরন, তথ্য বিতরনের ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামগ্রিক কার্যাবলী পরিচালনার বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়াকেই এক কথায় তথ্য প্রযুক্তি বলা হয়।

কম্পিউটার কি?

কম্পিউটার:- 

কম্পিউটার শব্দটি গ্রীক compute শব্দ থেকে এসেছে। compute শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা। মূলত কম্পিউটার (কম্পিউটার) শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। (আবার ল্যাটিন শব্দ Computare ও থেকে Computer শব্দের উৎপত্তি বলে ও মনে করে ) পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজ করা হত। ইলেকট্রনিক সংকেতের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে কম্পিউটার ল্যাংগুয়েজ বা কম্পিউটার ভাষা। কম্পিউটারের ল্যাংগুয়েজ এর মাধ্যমে কম্পিউটারে যে নির্দেশ দেয় তারই ভিত্তিতে Computer ফলাফল প্রকাশ করে থাকে। কম্পিউটারের এ ভাষা/ ল্যাংগুয়েজই হল কম্পিউটারের প্রোগ্রাম। প্রোগ্রাম ব্যতীত কম্পিউটার একটি জড় পদার্থ। কিন্ত বর্তমান যুগে কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের সংজ্ঞা অনেক ব্যাপকতা লাভ করেছে। কোন সীমিত সংজ্ঞা দিয়ে আর কম্পিউটার গন্ডীবন্ধ করা যায় না।

 সংজ্ঞা:-

কম্পিউটার হলো একগুচ্ছ বৈদুতিক তরঙ্গকে নিজস্ব সংকেতে রুপান্তর করে ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রয়োগকৃত কমান্ডের সাহ্যাযে্য উদ্ভূ সমস্যার সমাধান করে থাকে।